এক নজরে
কিছু শেপ কখনোই পুরনো হয় না, সরু আয়তক্ষেত্র তার একটি। Labaoli ভিন্টেজ গোল্ড রেক্ট্যাঙ্গুলার ব্রেসলেট ঘড়ি শুরু হয়েছে ঠিক এই শেপ থেকে: ছোট, খাড়া, সোনালি রঙের কেস, পরিষ্কার কিনারা, আর কবজি জড়িয়ে থাকা একটি চিকন ব্রেসলেট। রেট্রো স্টাইল মনে করিয়ে দেয় কয়েক দশক আগের জুয়েলারি ঘড়ি, তবে ফিনিশটা উজ্জ্বল আর সতেজ।
ডায়ালের রং দুটি: কালো আর শ্যাম্পেন। কালো ডায়ালের মুখটা চকচকে গাঢ়, সোনালি কাঁটা আর গয়নার মতো ছোট একটি মার্কার আছে। শ্যাম্পেন ডায়াল হালকা সোনালি, চিকন কাঁটা আর মার্কারসহ প্রায় কেসের সাথে একই রঙের। মুভমেন্ট কোয়ার্টজ, অর্থাৎ ব্যাটারিতে চলে, কখনো দম দিতে হয় না।
যাঁরা ক্লাসিক, মেয়েলি লুক পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এই ঘড়ি। অফিস, পারিবারিক অনুষ্ঠান কিংবা প্রতিদিনের পরা, সবখানেই চলে।
ছবিতে যে ডিজাইন ডিটেইলস দেখা যায়
- সরু আয়তাকার কেস। কেসটা চওড়ার চেয়ে লম্বা, পাশগুলো সোজা, কোণগুলো নরমভাবে কাটা। কবজিতে মনে হয় ছোট একটা সোনালি বার।
- চিকন ব্রেসলেট। সরু লিঙ্ক আর বার জোড়া লাগিয়ে ব্যান্ড বানানো। পাতলা ও নমনীয়, কিছু অংশ সমতল আর কিছু একটু উঁচু, তাই হালকা একটা টেক্সচার আসে।
- কালো ডায়াল। মসৃণ কালো মুখ, গভীর চকচকে ভাব, পাতলা সোনালি কাঁটা আর মার্কারে সামান্য ঝিলিক। সোনালি কেস একে ধারালোভাবে ফুটিয়ে তোলে।
- শ্যাম্পেন ডায়াল। নরম হালকা সোনালি মুখ, চিকন কাঁটা আর ছোট মার্কার। দেখতে শান্ত আর মার্জিত।
- সোনালি রঙের ফিনিশ। কেস আর ব্রেসলেট একই উষ্ণ সোনালি রঙের, তাই পুরো ঘড়িটা একটাই পালিশ করা টুকরোর মতো লাগে।
- বক্সের উপস্থাপনা। কিছু ছবিতে ঘড়িগুলোর পাশে ব্র্যান্ডেড গিফট-স্টাইল বক্স আছে, এতে বোঝা যায় ঘড়ি কীভাবে সাজিয়ে দেওয়া হয়। অর্ডারের সাথে কী কী আসবে, তা প্রোডাক্ট ডিটেইলসে দেখে নিন।
ডায়ালের রং বেছে নিন
কালো ডায়াল কেসকে দেয় জোরালো আউটলাইন আর আধুনিক, গ্রাফিক লুক। সোনালির পাশে এটা পরিষ্কার ফুটে ওঠে, সময় দেখাও সহজ। পোশাক যা-ই হোক, ঘড়িটা ঝকঝকে দেখাতে চাইলে এটা নিন।
শ্যাম্পেন ডায়ালে আছে বেশি ঐতিহ্যবাহী মায়া। ঘড়িটা হয়ে যায় একটা নরম সোনালি টুকরো, সব রঙের পোশাকের সাথে আর সোনালি রঙের সব গয়নার সাথে পরা সহজ।
দুটি ছবিতে দুই ভার্সন একসাথে আছে, তাই বেছে নেওয়ার আগে কালো আর শ্যাম্পেন মুখ পাশাপাশি মিলিয়ে দেখতে পারবেন।
একটা সহজ নিয়ম হলো, যে পোশাক সবচেয়ে বেশি পরেন, তার সাথে ডায়াল মেলান। যাঁরা গাঢ় রঙের পোশাক বেশি পরেন, যেমন কালো বোরকা, নেভি সালোয়ার-কামিজ বা চারকোল অফিস ড্রেস, তাঁরা সাধারণত কালো ডায়াল পছন্দ করেন, কারণ এটা তাঁদের পোশাকের সাথেই মিলে যায়। যাঁরা প্যাস্টেল, ক্রিম আর মাটি রঙের টোন ভালোবাসেন, তাঁরা সাধারণত শ্যাম্পেন নেন, কারণ নরম রঙের সাথে এটা মিশে যায়, অন্য অ্যাকসেসরিজের সাথে কখনো বেমানান হয় না।
কীভাবে পরবেন
- শাড়ি ও কুর্তির সাথে। চিকন কেস আর নাজুক ব্রেসলেট দেশি পোশাকের সাথে ঠিকঠাক মানায়, যেখানে বড় ঘড়ি বেমানান লাগতে পারে।
- অফিসে। খাড়া কেসটা স্মার্ট আর শান্ত। কাফের নিচে সহজে ঢুকে যায়, মনোযোগ নষ্ট করে না।
- বালার সাথে। একই হাতে একটি চিকন সোনালি বালা পরুন। ঘড়ির ব্রেসলেট আগে থেকেই সরু, তাই ভারী বালা পরলে ঘড়ি চাপা পড়ে যাবে।
- গিফট হিসেবে। ভিন্টেজ স্টাইলের ঘড়ি মা, খালা-ফুফু বা যে বান্ধবী ক্লাসিক গয়না ভালোবাসেন, তাঁর জন্য ভেবেচিন্তে দেওয়া উপহার।
ফিট, সাইজ ও আরাম
ব্রেসলেট সরু ও নমনীয়, তাই চিকন কবজিতে আর সারা দিন পরতে আরামদায়ক। কবজির মাপ একেকজনের একেক রকম, তাই অর্ডারের আগে এই পেজের প্রোডাক্ট ডিটেইলসে স্ট্র্যাপের দৈর্ঘ্য আর কেসের সাইজ দেখে নিন। কবজি বড় হলে নরম ফিতা দিয়ে মেপে সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্যের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
খাড়া কেস হাতের লম্বার দিকে বসে, তাই পাশ থেকে সরু দেখায় আর হাতার নিচে সহজে ঢুকে যায়। চলাফেরার আগে ক্ল্যাপ পুরোপুরি লাগিয়ে দেখে নিন আটকেছে কি না। ক্ল্যাপ কখনো ঢিলা মনে হলে ঘড়ি খুলে রাখুন।
এমন সরু কেস চওড়া কেসের চেয়ে জিনিসের সাথে কম ধাক্কা খায়, তবু কোণা দরজার চৌকাঠ, গাড়ির দরজা বা ব্যাগের ফিতায় আটকে যেতে পারে। ভারী ব্যাগ বইলে বা ডেস্কে কাজ করলে, যেখানে টেবিলের কিনারা কাচে ঘষা খেতে পারে, ঘড়িটা হাতের একটু ওপরের দিকে পরুন। এই ছোট অভ্যাসগুলো যেকোনো পরিষ্কারের নিয়মের চেয়ে বেশি ফিনিশ বাঁচায়।
যত্ন নিন, নতুনের মতো রাখুন
ভিন্টেজ স্টাইলের ব্রেসলেটে অনেক ছোট ছোট অংশ থাকে, আর সবগুলোতেই ধুলা ও ত্বকের তেল জমে। প্রতিবার পরার পর নরম শুকনো কাপড়ে মুছে নিন, আর লিঙ্কের ফাঁকা জায়গা পরিষ্কার করতে খুব নরম ব্রাশ ব্যবহার করুন। পারফিউম, হেয়ার স্প্রে, লোশন আর পরিষ্কারের তরল থেকে ঘড়ি দূরে রাখুন, এগুলো সোনালি ফিনিশের জৌলুস কমিয়ে দেয়। পানির তথ্য জানতে এই পেজের প্রোডাক্ট ডিটেইলস দেখুন, আর গোসল, সাঁতার ও থালাবাসন ধোয়ার সময় ঘড়ি খুলে রাখুন।
ঘড়িটা সমতলভাবে পাউচ বা লাইনিং দেওয়া বক্সে রাখুন, যাতে ব্রেসলেট বাঁকা না হয় বা আঁচড় না লাগে। শক্ত জায়গায় কেস ঠুকে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন, কারণ কাচে দাগ পড়তে পারে। সেকেন্ডের কাঁটা থেমে গেলে ব্যাটারি বদলাতে ঘড়িটা মেরামতের দোকানে নিয়ে যান।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
কোন কোন ডায়াল বেছে নেওয়া যাবে? কালো আর শ্যাম্পেন।
কেসের শেপ কেমন? সরু, খাড়া আয়তক্ষেত্র, কোণগুলো নরমভাবে কাটা।
এটা কি কোয়ার্টজ ঘড়ি? জি। ব্যাটারিতে চলে, দম দিতে হয় না।
ব্রেসলেট কি ছোট-বড় করা যায়? স্ট্র্যাপের দৈর্ঘ্য প্রোডাক্ট ডিটেইলসে দেখে নিন। ঘড়ি মেরামতের দোকান সাধারণত ব্রেসলেটের লিঙ্ক ঠিক করে দিতে পারে।
চিকন কবজিতে কি মানাবে? জি, সরু কেস আর পাতলা ব্রেসলেট চিকন কবজির জন্য বেশ মানানসই।
এটা কি ভালো গিফট? জি, বিশেষ করে যাঁরা ক্লাসিক, ভিন্টেজ স্টাইলের গয়না ভালোবাসেন তাঁদের জন্য।
কোন ডায়ালে সময় দেখা সহজ? দুটোতেই চিকন সোনালি কাঁটা। শ্যাম্পেন ডায়াল নরম আর একই রঙের, আর কালো ডায়ালে কাঁটা বেশি স্পষ্ট দেখা যায়।
শেষ কথা
Labaoli ভিন্টেজ গোল্ড রেক্ট্যাঙ্গুলার ব্রেসলেট ঘড়ি চিরকালীন শেপের ছোট্ট মার্জিত একটি ঘড়ি। সোনালি রঙের কেস, চিকন ব্রেসলেট আর কালো বা শ্যাম্পেন ডায়ালের পছন্দ মিলিয়ে ঝামেলাহীন রেট্রো সৌন্দর্য। ছবিগুলো দেখুন আর অর্ডারের আগে এই পেজের ডিটেইলস দেখে নিন।