এক নজরে
ঘড়িকে সব সময় ঘড়ির মতো দেখাতে হবে, এমন নয়। Jrande গোল্ড বল-বিড ব্রেসলেট কোয়ার্টজ ঘড়ি বানানোই হয়েছে গয়নার মতো পরার জন্য। সোনালি রঙের কেসে ছোট গোল ফেস, আর একই সোনালি শেডের পালিশ করা গোল পুঁতির স্ট্র্যাপ। দূর থেকে দেখলে মনে হয় ছোট্ট ঘড়ির ফেসওয়ালা বিডের ব্রেসলেট, আর আকর্ষণটা ঠিক এখানেই।
ফেসের রং দুটি। লাল গোলাপি আভার, জুয়েল টোনের, নরম ঝিলিক সহ। সাদা নরম, মুক্তার মতো, তরতাজা আর পরিষ্কার। দুটিই একই পুঁতির স্ট্র্যাপে বসানো আর একই সোনালি রঙের কেসে। ঘড়ির মুভমেন্ট কোয়ার্টজ, ব্যাটারিতে চলে আর দম দিতে হয় না, তাই পরে ভুলে যান, ঠিক সময় দেখাবে, নির্ভর করতে পারবেন।
এটি হালকা অ্যাক্সেসরিজ, কলেজ, অফিস, আত্মীয়ের বাড়ি আর উৎসবের দিন, সব জায়গায় চলে।
ছবিতে যে ডিজাইন ডিটেইল দেখা যায়
- গোল সোনালি রঙের কেস। কেস ছোট ও বৃত্তাকার, কিনারা আলো ধরে। স্ট্র্যাপের পুঁতির চেয়ে সামান্য বড়, যা ঘড়িকে ভারসাম্যপূর্ণ দেখাতে সাহায্য করে।
- পুঁতির স্ট্র্যাপ। স্ট্র্যাপ সারি করে জোড়া অনেক ছোট সোনালি রঙের বল দিয়ে তৈরি। পুঁতিগুলো মসৃণ, চকচকে আর অবাধে নড়ে, তাই স্ট্র্যাপ সব দিকে বাঁকে আর স্বাভাবিকভাবে ঝুলে পড়ে।
- ডায়াল। লাল ফেসের রং গাঢ় গোলাপি আভার, নরম ঝিলিক সহ। সাদা ফেস ফ্যাকাশে, মুক্তার মতো। দুটিতেই পাতলা সোনালি কাঁটা আর ছোট সোনালি মার্কার দেখা যায়।
- ক্লাস্প। একই সোনালি রঙের সাধারণ ফোল্ড-ওভার ক্লাস্প স্ট্র্যাপ আটকায় আর পুঁতির সারি পরিপাটি রাখে।
- উপস্থাপনা। ছবিতে ঘড়িগুলো কুশনওয়ালা ট্রেতে রাখা, যা বোঝায় রাখা ও সাজানো সহজ। কী কী সাথে পাবেন তা জানতে পণ্যের তথ্য দেখুন।
আপনার ফেসের রং বেছে নিন
লাল বেশি নাটকীয় পছন্দ। গোলাপি আভার ফেস সোনালি পুঁতির পাশে আলাদা হয়ে ফোটে, ফলে ঘড়িটি ছোট রঙিন ফোকাল পয়েন্ট হয়ে ওঠে। সাদা, ক্রিম, কালো, গোলাপি আর উৎসবের লালের সাথে স্বাভাবিকভাবে মানায়, আর যিনি একটু রঙের ছোঁয়ার গয়না ভালোবাসেন, তাঁকে উপহার দিতে চমৎকার।
সাদা সহজ, সব জায়গায় চলার মতো। ফ্যাকাশে ফেস প্রায় সব পোশাকের সাথে মেলে আর সোনালি পুঁতি তার পাশে এলিগ্যান্ট লাগে। নিজের সব রঙের সাথে চলে এমন ঘড়ি চাইলে সাদা নিন।
গ্রুপ ছবির কিছুতে ঘড়িটি অন্য ফেসের রঙের পাশে দেখানো। ওই ছবিগুলো স্ট্র্যাপ আর শেপ একসাথে দেখানোর জন্য, তবে এই পেজে বেছে নেওয়ার মতো অপশন ওপরের দুটি, তাই ওই দুটি থেকেই বেছে নিন।
ঠিক করার সহজ উপায় হলো নিজের গয়নার বাক্স দেখা। বেশিরভাগ গয়না সোনালি আর মাঝেমধ্যে গোলাপি বা লাল পাথরের হলে লাল ফেস পুরোপুরি মিলে যাবে। সাদা, মুক্তা আর নিউট্রাল রং বেশি পরলে সাদা ফেস আপনার বেশিরভাগ জিনিসের সাথে মিলবে।
কীভাবে পরবেন
- ব্রেসলেট হিসেবে। পুঁতির স্ট্র্যাপের জন্য ঘড়ি ব্রেসলেটের জায়গা নিতে পারে। সাধারণ কুর্তি বা শার্টের সাথে একা পরুন।
- বালার সাথে লেয়ার করে। পুঁতির ঘড়ির পাশে সরু সোনালি বালা ভারসাম্যপূর্ণ লাগে। খুব মোটা বালা এড়িয়ে চলুন, যা ছোট পুঁতির সাথে বেমানান।
- বিশেষ দিনে। উৎসব আর আড্ডায় পালিশ করা পুঁতি আর রঙিন ফেস মৃদু ঝিলিক আনে।
- গিফট হিসেবে। গয়নার মতো দেখতে ঘড়ি বোন, বন্ধু বা মায়ের জন্য ভেবে দেওয়া উপহার।
ফিট, সাইজ ও আরাম
পুঁতির স্ট্র্যাপ নমনীয় ও আরামদায়ক, তবে ফিট নির্ভর করে পুঁতির সংখ্যা আর ক্লাস্পের জায়গার ওপর। কব্জি আলাদা হয় বলে অর্ডারের আগে এই পেজের পণ্যের তথ্যে স্ট্র্যাপের দৈর্ঘ্য দেখে নিন। কব্জি ছোট হলে এমন ছোট, সরু পুঁতির স্ট্র্যাপ সাধারণত সুন্দর মানায়। কব্জি বড় হলে নরম ফিতা দিয়ে মেপে মিলিয়ে দেখুন।
কেস ছোট আর হালকা, তাই ঘড়ি ভারী লাগবে না বা ঘুরে যাবে না। গোল পুঁতিগুলো মসৃণ, তবে যেকোনো বিড ব্রেসলেটের মতো এতে মিহি চুল বা সুতো আটকে যেতে পারে, তাই ক্লাস্প সাবধানে আটকান।
ঘড়ি খুলে শক্ত জায়গায় ফেলে না দিয়ে সমান করে রাখুন, কারণ ধাক্কা লাগলে পুঁতির কিনারা চটে যেতে পারে। সময়ের সাথে স্ট্র্যাপ একটু ঢিলা মনে হতে পারে, যেকোনো লিংক ব্রেসলেটেই এটি স্বাভাবিক। কখনো বেশি ঢিলা লাগলে ঘড়ির দোকান সাধারণত এক-দুটি লিংক খুলে ছোট করে দিতে পারে।
যত্ন ও নতুনের মতো রাখার উপায়
পালিশ করা সোনালি রঙের পুঁতি পরিষ্কার ও শুকনো থাকলে সবচেয়ে সুন্দর দেখায়। পরার পর নরম শুকনো কাপড়ে ঘড়ি মুছুন, আর পারফিউম, হেয়ার স্প্রে, লোশন ও পরিষ্কারের তরলের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। পানি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য এই পেজের পণ্যের তথ্য পড়ুন, আর গোসল বা সাঁতারের সময় ঘড়ি পরবেন না। ঘাম আর আর্দ্রতা ফিনিশ ম্লান হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ, তাই তুলে রাখার আগে ঘড়ি ভালো করে শুকিয়ে নিন।
ট্রেতে বা নরম পাউচে সমান করে রাখুন, পুঁতি বা কাচে আঁচড় ফেলতে পারে এমন গয়না থেকে দূরে। স্ট্র্যাপ জোরে টানবেন না, আর ভারী কাজের আগে ঘড়ি খুলে রাখুন। সেকেন্ডের কাঁটা থেমে গেলে ঘড়ির দোকান ব্যাটারি বদলে দিতে পারে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
কোন কোন ফেসের রং বেছে নেওয়া যায়? লাল আর সাদা।
এটি ব্রেসলেট না ঘড়ি? দুটোই। সময় দেখায় ঘড়ির মতো, আর স্টাইল বিড ব্রেসলেটের মতো।
এটি কি কোয়ার্টজ ঘড়ি? হ্যাঁ। ব্যাটারিতে চলে।
এটি কি ভারী? কেস ছোট আর পুঁতি হালকা, তাই আরামদায়ক লাগার কথা। এই পেজের তথ্য দেখে নিন।
ছোট কব্জিতে মানাবে? হ্যাঁ, সরু স্ট্র্যাপ আর ছোট কেস সরু কব্জিতে ভালো যায়। নিশ্চিত হতে স্ট্র্যাপের দৈর্ঘ্য দেখে নিন।
রোজ পরা যাবে? হ্যাঁ, ওপরের যত্নের পরামর্শ মেনে।
শেষ কথা
Jrande গোল্ড বল-বিড ব্রেসলেট কোয়ার্টজ ঘড়ি ছোট একটি গয়না, যা সময়ও দেখায়। গোল সোনালি রঙের কেস, পালিশ করা পুঁতির স্ট্র্যাপ আর লাল বা সাদা ফেসের পছন্দ নিজের স্টাইলের ভার্সন বেছে নেওয়া সহজ করে। ছবিগুলো দেখুন আর অর্ডারের আগে এই পেজের তথ্য দেখে নিন।